1. arshinagargroup75@gmail.com : ratul :
  2. abclimited2020@gmail.com : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD) : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD)
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

‘যুদ্ধবিরতি’ চলাকালে গাজায় কমপক্ষে ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৯৬ Time View

গাজায় মার্কিন-বিনিয়োজিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে, বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ (UNICEF)। শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার মুখপাত্র রিকার্ডো পিরেস এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে রয়েছে মাত্র কয়েক মাস বয়সী এক শিশু কন্যা, যাকে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হত্যা করা হয়। বুধবারের হামলাতেও আরও সাত শিশু নিহত হয়।

পিরেস বলেন,
“এটি এক সম্মত যুদ্ধবিরতির সময় ঘটছে। এই চিত্র ভয়াবহ।”
তিনি আরও জানান, প্রতিটি নিহত শিশু ছিল একটি পরিবার, স্বপ্ন ও জীবনের অংশ—যা চলমান সহিংসতায় হঠাৎই থেমে গেছে।

ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী, অক্টোবর ২০২৩ এ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৬৪,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি শিশু নিহত ও আহত হয়েছে।

এদিকে সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, শুধু ২০২৪ সালেই প্রতি মাসে গড়ে ৪৭৫ শিশু স্থায়ী বিকলাঙ্গতায় আক্রান্ত হয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরি, পুড়ে যাওয়া, এবং অঙ্গহানি।
গাজা বর্তমানে আধুনিক ইতিহাসের সর্ববৃহৎ শিশু-অঙ্গহানির অঞ্চল, বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

ইসরায়েলের অবরোধে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ থাকায় বহু শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ইউনিসেফ বলছে, হাজারো শিশু এখনো খোলা আকাশের নিচে কাঁপতে কাঁপতে রাত কাটাচ্ছে।
শীতের এই মৌসুমে তাদের জন্য তাবু, কম্বল ও গরম পোশাকও পর্যাপ্ত নেই।

পিরেস বলেন,
“গাজার শিশুদের জন্য কোথাও কোনো নিরাপদ স্থান নেই। তাদের এই কষ্ট বিশ্ব আর স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারে না।”

ইসরায়েল দাবি করেছে, খান ইউনিসে তাদের সেনাদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় তারা নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে—যেখানে অন্তত ৩২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। হামাস এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে এটিকে “গণহত্যা পুনরায় শুরু করার অজুহাত” বলেছে।

ডক্টরস উইদআউট বর্ডারস (MSF) জানায়, তাদের দল বহু নারী ও শিশুকে গুলিবিদ্ধ ও অঙ্গভঙ্গ অবস্থায় চিকিৎসা দিয়েছে। গাজার আল-শিফা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগী বলেন, দুইটি ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের পর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। জ্ঞান ফেরার পর দেখেন তার পরিবার রক্তে ভেজা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে।

ইসরায়েলের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে ত্রাণ, খাদ্য, তাবু ও চিকিৎসা সরঞ্জাম গাজায় প্রবেশে বাধা অব্যাহত রয়েছে। ফলে শীতের রাতে শিশুদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © arshinagar tv 2025
Design & Develop BY Coder Boss