ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় আবারও নিহত হয়েছেন সাত ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। পাশাপাশি ইসরায়েল জানিয়েছে, রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং একমাত্র যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকা থেকে মানুষের বের হওয়ার জন্য খুলে দেওয়া হবে।
গাজা সিটি থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক হানি মাহমুদ বলেন, এসব হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করছে যে “গণহত্যা কখনো সত্যিই শেষ হয়নি।”
এদিকে, গাজা থেকে দ্বিতীয় সর্বশেষ বন্দির মরদেহ গ্রহণ করেছে ইসরায়েল। নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে থাই নাগরিক সুদথিসাক রিন্থালাক হিসেবে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি বন্দি রান গিভিলি–এর মরদেহই ফেরত পাওয়া বাকি রয়েছে।
এছাড়া, ইসরায়েল ও লেবানন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষ কূটনৈতিক আলোচনা করতে যাচ্ছে। দুই দেশই তাদের ২০২৪ সালের নাজুক যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থায় বেসামরিক দূত পাঠিয়েছে।
হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান হামলায় এখন পর্যন্ত ৭০,১২৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ১,৭১,০১৫ জন আহত হয়েছেন (অক্টোবর ২০২৩ থেকে)। অন্যদিকে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় ১,১৩৯ জন নিহত হন এবং প্রায় ২০০ জনকে আটক করা হয়।