1. arshinagargroup75@gmail.com : ratul :
  2. abclimited2020@gmail.com : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD) : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD)
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন

লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ স্থাপন ইসরায়েলের, গাজার কৌশলই পুনরাবৃত্তি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯ Time View

দক্ষিণ লেবানন-এ নতুন করে একটি তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ বা সীমারেখা স্থাপনের কথা জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। এর আগে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা-তে একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করেছিল ইসরায়েল।

ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, এই ‘ইয়েলো লাইন’-এর দক্ষিণে অবস্থানরত তাদের সেনাদের দিকে উত্তর দিক থেকে এগিয়ে আসা যোদ্ধারা যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করছে এবং তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করছে। এ কারণেই তারা এই সীমারেখা নির্ধারণ করেছে বলে জানানো হয়।

এই ঘোষণা আসে হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই। যদিও যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় যেভাবে ‘ইয়েলো লাইন’ তৈরি করে এলাকা ভাগ করে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছিল, লেবাননেও একই কৌশল প্রয়োগের ইঙ্গিত দিচ্ছে এই পদক্ষেপ। গাজায় এই সীমারেখার কাছে গেলে অনেক ক্ষেত্রে গুলি চালানো ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সীমান্তবর্তী লেবাননের গ্রামগুলো ভেঙে ফেলার নির্দেশনার কথাও উল্লেখ করেছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম বলেছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখতে হলে উভয় পক্ষকেই তা মেনে চলতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, একতরফা যুদ্ধবিরতি সম্ভব নয় এবং লঙ্ঘন হলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও দাবি করেন, স্থায়ী শান্তির জন্য ইসরায়েলকে সম্পূর্ণভাবে লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। একইসঙ্গে বন্দি বিনিময়, বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পুনর্গঠনের ওপর জোর দেন তিনি।

উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও হাজার হাজার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে, যা অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠাকে আরও জটিল করে তুলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © arshinagar tv 2025
Design & Develop BY Coder Boss