ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীর সদস্য মাঠে নামছেন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে জানান, সেনাবাহিনী আগেই প্রস্তুতি হিসেবে মাঠে ছিল। তবে আজ থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সাত দিনের জন্য দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি এবং কোস্ট গার্ড মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ ব্যবস্থার আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও মাঠে রাখা হবে।
এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে—
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি): ৫,৭৬,৪৮৩ জন
সেনাবাহিনী: ১,০৩,০০০ জন
নৌবাহিনী: ৫,০০০ জন
বিমান বাহিনী: ৩,৭৩০ জন
বিজিবি: ৩৭,৪৫৩ জন
কোস্ট গার্ড: ৩,৫৮৫ জন
পুলিশ: ১,৮৭,৬০৩ জন
র্যাব: ৯,৩৪৯ জন
চৌকিদার ও দফাদার: ৪৫,৮২০ জন
নির্বাচন ঘিরে এই বিপুল সংখ্যক বাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের দিন সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, এসব ব্যবস্থার ফলে ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.