টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করলেও টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিই মেনে নেবে বোর্ড। মূলত বাংলাদেশ ইস্যুকে কেন্দ্র করেই পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বর্জনের আলোচনা সামনে এসেছে।
নাকভির অভিযোগ, শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ খেলতে চাইলেও বাংলাদেশকে সেই সুযোগ না দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা অন্যায্য। তার মতে, একেক দেশের ক্ষেত্রে একেক ধরনের সিদ্ধান্ত হতে পারে না। এ ঘটনায় আইসিসির ভূমিকা নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলেছেন।
দুদিন আগে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মহসিন নাকভি বলেন,
“আমরা প্রধানমন্ত্রীর ফেরার অপেক্ষায় আছি।”
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তখন সুইজারল্যান্ডে ছিলেন।
বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় ইসলামাবাদেও আইসিসির সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। ফলে পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার বিশ্বকাপে দল পাঠানোর অনুমতি নাও দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আজ (সোমবার, ২৬ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এদিকে সূত্রের বরাতে জিও সুপার জানিয়েছে, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণও করে, তবুও তারা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বর্জন করতে পারে। কলম্বোয় আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দুই দলের মধ্যকার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তান মনে করছে, ভারত ম্যাচ বর্জন করলে আইসিসিকে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।
এছাড়া বোর্ড বিভিন্ন প্রতিবাদমূলক বিকল্পও পর্যালোচনা করছে। দলটি বিশ্বকাপে অংশ নিলে কীভাবে প্রতিবাদ জানানো যায়, সে বিষয়ে সব সম্ভাবনাই খোলা রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।