যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে বলে ঘোষণা দিলেও গাজায় বাস্তব চিত্র ভিন্ন। চলমান মানবিক সংকট ও ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের ঘোষণার বিষয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন গাজার ফিলিস্তিনিরা।
মার্কিন ঘোষণার পরও গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় চালানো এসব অভিযানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই কমপক্ষে ৪৫১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, গাজা শাসনের জন্য তিনি নিজেই একটি তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’–এর সভাপতিত্ব করবেন। তবে গাজার সাধারণ মানুষের মতে, এই ধরনের ঘোষণার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির কোনো মিল নেই।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে এখন পর্যন্ত গাজায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৪৪১ জন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৩২৯ জন।
অন্যদিকে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন, আর প্রায় ২০০ জনকে বন্দি করে নেওয়া হয়।
গাজার মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ আদৌ কার্যকর হবে কিনা— তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশ্ন বাড়ছে।