ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হওয়া এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হওয়ার ঘটনায় কৃতিত্ব দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ওয়াশিংটনের কঠোর সতর্কবার্তার পরই তেহরান ওই তরুণকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
ইরানের রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ২৬ বছর বয়সি এরফান সোলতানি দ্রুত বিচারের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে সেই সাজা স্থগিত করা হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের বরাতে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন,
“প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর ইরানি বিক্ষোভকারীকে আর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে না। অন্যদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য।”
তিনি আরও লেখেন,
“এটি ভালো খবর। আশা করি এটি অব্যাহত থাকবে।”
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮ জানুয়ারি ইরানের কারাজ শহরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার সময় পোশাক শিল্পে কর্মরত এরফান সোলতানিকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ ওঠে, মাত্র তিন দিনের বিচারপ্রক্রিয়া শেষে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচার চলাকালে এরফানের পরিবারের সদস্য বা ঘনিষ্ঠ কাউকে আদালতে উপস্থিত থাকতে দেওয়া হয়নি।
গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা ছিল। সে জন্য শেষবারের মতো পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগও দেওয়া হয়।
তবে শেষ মুহূর্তে এসে তার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় ইরানি কর্তৃপক্ষ, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।