1. arshinagargroup75@gmail.com : ratul :
  2. abclimited2020@gmail.com : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD) : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD)
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তিও ‘একটি বিকল্প’: যুক্তরাষ্ট্র, হুমকি প্রত্যাখ্যান ইউরোপের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫০ Time View

গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রশ্নে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন এবং এ বিষয়ে সব ধরনের বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে—যার মধ্যে সামরিক ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানায়, আর্কটিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ প্রয়োজন। বিবৃতিতে বলা হয়, “প্রেসিডেন্ট ও তার টিম এই গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতিগত লক্ষ্য বাস্তবায়নে নানা বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন। কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ব্যবহারও তার হাতে থাকা একটি বিকল্প।”

ডেনমার্কের অংশ গ্রিনল্যান্ড দখলের যেকোনো চেষ্টা ন্যাটো জোটে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং ইউরোপের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে ইউরোপীয় বিরোধিতা সত্ত্বেও ট্রাম্প তার অবস্থানে অনড়।

২০১৯ সালে প্রথমবার গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনার পর সেই আগ্রহ আরও জোরালো হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ট্রাম্প দাবি করেছেন, গ্রিনল্যান্ডে রাশিয়া ও চীনের উপস্থিতি বাড়ছে এবং ডেনমার্ক দ্বীপটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অক্ষম।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র ৫৭ হাজার। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যবর্তী কৌশলগত অবস্থানের কারণে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি দ্বীপটির বিপুল খনিজ সম্পদ চীনের ওপর নির্ভরতা কমানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হতে পারে।

এদিকে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন ও যুক্তরাজ্যের নেতারা ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের এবং এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডেরই রয়েছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি গ্রিনল্যান্ডের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে শিগগিরই সেখানে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে নর্ডিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও গ্রিনল্যান্ডের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডরিক নিলসেন ইউরোপীয় নেতাদের সংহতির জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘সম্মানজনক সংলাপ’-এর আহ্বান জানান।

ডেনমার্ক যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে যে তারা গ্রিনল্যান্ড রক্ষা করতে অক্ষম। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বলেন, “গ্রিনল্যান্ডে চীনা যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতির যে ছবি তুলে ধরা হচ্ছে, আমরা তা বাস্তবসম্মত মনে করি না।”

অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা প্রকাশ্যে শক্তির রাজনীতির কথা বললেও কংগ্রেসের কিছু সদস্য এই অবস্থানের বিরোধিতা করেছেন। তারা ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব ও ন্যাটোর নীতির প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © arshinagar tv 2025
Design & Develop BY Coder Boss