বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, দেশে হত্যা, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের মতো অশুভ রাজনীতি আর দেখতে চায় না জনগণ। যারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের চিরতরে উৎখাত করার সময় এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধার স্বাধীনতা প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলা শাখার আয়োজনে যুব ও ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিবির সভাপতি জানান, ‘বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনার দেশ। এই দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে পারে যুবসমাজই। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক সংস্কারের প্রত্যাশা থাকলেও তা হয়নি। বরং অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের অসমাপ্ত কাজগুলো একটি দল নতুন করে বহন করছে।’
তিনি আরও বলেন, দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে জনসম্পদে রূপান্তর করা গেলে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব। ফ্যাসিবাদের রাজনীতিকে আর জায়গা দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা আগের ধারার রাজনীতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, কিন্তু ছাত্রশিবির কোনো ফ্যাসিবাদের কাছে মাথা নত করবে না।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা যুব বিভাগের সভাপতি ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ফয়সল কবির রানা। বক্তব্য দেন সাবেক জেলা আমির ডা. আব্দুর রহিম সরকার, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও জেলা আমির মো. আব্দুল করিম, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক সরকার, নায়েবে আমির অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছসহ অন্যান্য নেতারা।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং জেলা সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মানও বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ শেষে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত পাঁচ সংসদ সদস্য প্রার্থীদের নিয়ে ‘মার্চ ফর দাড়িপাল্লা’ নামে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্বাধীনতা মাঠে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।
এর আগে সকালে গাইবান্ধা সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার সেশন অনুষ্ঠিত হয়।