1. arshinagargroup75@gmail.com : ratul :
  2. abclimited2020@gmail.com : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD) : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD)
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন

মেটার আয়ে প্রতারণার বিজ্ঞাপন! দিনে ১৫০০ কোটি ভুয়া বিজ্ঞাপন দেখছে ব্যবহারকারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৩ Time View

আভ্যন্তরীণ নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ – প্রতারণা ও নিষিদ্ধ পণ্যের বিজ্ঞাপন থেকেই বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার আয় মেটার!

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটা (Meta)–র অভ্যন্তরীণ নথি ফাঁস করে দিয়েছে এক বিস্ময়কর তথ্য। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স–এর হাতে আসা নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালে মেটার মোট আয়ের ১০ শতাংশেরও বেশি এসেছে প্রতারক ও নিষিদ্ধ বিজ্ঞাপন থেকে—যার পরিমাণ প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার!

নথিতে দেখা গেছে, মেটা প্রতিদিন তার প্ল্যাটফর্মগুলোতে (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ) ১৫ বিলিয়ন প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। এই বিজ্ঞাপনগুলোর মধ্যে রয়েছে ভুয়া বিনিয়োগ স্কিম, অবৈধ অনলাইন ক্যাসিনো, ওষুধ বিক্রির নিষিদ্ধ প্রচারণা, এমনকি জাল ব্র্যান্ড বা ব্যক্তিত্বের নামে বিজ্ঞাপন। কোম্পানির নিজস্ব সিস্টেম এসব প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন শনাক্ত করলেও, কেবল তখনই ব্যান করা হয় যখন সিস্টেম ৯৫ শতাংশ নিশ্চিত হয় যে বিজ্ঞাপনটি ভুয়া। আর যদি নিশ্চিত না হয়, তবে মেটা উল্টো প্রতারকদের কাছ থেকে বেশি টাকা নেয়, যাকে তারা “Penalty Bid” নামে পরিচিত করেছে। অর্থাৎ সন্দেহভাজন বিজ্ঞাপনদাতাকে বেশি মূল্য দিতে হয় বিজ্ঞাপন চালাতে—এভাবেই মেটা বাড়তি রাজস্ব পায়। আরও জানা গেছে, যেসব ব্যবহারকারী প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেন, তাদেরকে আবারও একই ধরনের বিজ্ঞাপন দেখানো হয় মেটার “অ্যাড পারসোনালাইজেশন” সিস্টেমের মাধ্যমে। ফলে ব্যবহারকারীরা আরও বেশি ঝুঁকিতে পড়ে।

এক নথিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে সংঘটিত মোট প্রতারণার এক-তৃতীয়াংশেই মেটার প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহৃত হয়, যা একে বিশ্বব্যাপী অনলাইন প্রতারণার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।  মেটার মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন দাবি করেছেন, এই নথিগুলো “আংশিক ও বিকৃত তথ্য” তুলে ধরে। তার বক্তব্য, কোম্পানিটি গত ১৮ মাসে প্রতারক বিজ্ঞাপন ৫৮ শতাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে এবং ২০২৫ সালে ১৩৪ মিলিয়নের বেশি ভুয়া বিজ্ঞাপন মুছে দিয়েছে।

তবে সমালোচকরা বলছেন, মেটা মূলত ব্যবসায়িক স্বার্থেই প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন নিয়ে নরম অবস্থান নিয়েছে। এক প্রাক্তন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, “যেভাবে ব্যাংককে প্রতারণা থেকে মুনাফা করতে দেয়া যায় না, তেমনি টেক কোম্পানিকেও তা করা উচিত নয়।”অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনা অনুযায়ী, মেটা ২০২৬ সালের মধ্যে প্রতারণা ও নিষিদ্ধ বিজ্ঞাপন থেকে রাজস্ব ১০.১% থেকে কমিয়ে ৬%–এ নামানোর লক্ষ্য স্থির করেছে। কিন্তু তারা স্বীকার করেছে, এ পদক্ষেপে রাজস্ব ক্ষতি হলে তা কোম্পানির ব্যবসায়িক পূর্বাভাসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।বর্তমানে মেটার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের SEC এবং যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রক সংস্থা তদন্ত চালাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই কেলেঙ্কারি শুধু মেটার ব্যবসায় নয়, বরং সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও বড় হুমকি তৈরি করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © arshinagar tv 2025
Design & Develop BY Coder Boss