মোহামেডানের অধিনায়ক তামিম ইকবাল শাইনপুকুরের বিপক্ষে টস করলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে ফিল্ডিং করতে নামতে পারেননি। পরে দুবার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ায় দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। যখন তামিম জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে ছিলেন, তখন তার দল মাঠে জয়ের জন্য লড়ছিল। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ৪৬ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে শাইনপুকুরকে হারিয়েছে মোহামেডান।
🏏 মিরাজের প্রথম লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরিতে সহজ জয়
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে শাইনপুকুর প্রথমে ব্যাট করে ২২৩ রানে অলআউট হয়। এরপর ওপেনিংয়ে নেমে রনি তালুকদারের সঙ্গে ১৬৪ রানের জুটি গড়েন মিরাজ। এই অলরাউন্ডার ৮৬ বলে ১০৩ রান করেন, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৩টি ছক্কা। ডিপিএলে এটি তার প্রথম এবং ক্যারিয়ারের প্রথম লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরি।
রনি তালুকদার ৬১ রান করে আউট হলে জয় থেকে মাত্র ৫০ রান দূরে ছিল মোহামেডান। বাকি কাজ সহজেই সারেন পরবর্তী ব্যাটাররা। এটি মোহামেডানের অষ্টম ম্যাচে ষষ্ঠ জয়, ফলে তারা পয়েন্ট তালিকার দুই নম্বরে উঠে এসেছে।
🎯 শাইনপুকুরের ইনিংস: ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে প্রতিরোধ
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ১০৭ রানে ৭ উইকেট হারায় শাইনপুকুর। তবে অধিনায়ক রাইয়ান রাফসান (৭৭) ও শরিফুল ইসলাম (৫৭) গুরুত্বপূর্ণ ৭৭ রানের জুটি গড়ে দলকে ২০০ রানের কোটায় পৌঁছে দেন। মোহামেডানের হয়ে তাইজুল ইসলাম ৪৪ রানে ৩ উইকেট নেন।
🏆 আবাহনীর টানা জয়, পারভেজ ইমনের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি
দিনের আরেক ম্যাচে ধানমণ্ডি স্পোর্টস ক্লাবকে ৬৪ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে হারিয়েছে শীর্ষে থাকা আবাহনী।
প্রথমে ব্যাট করে ফজলে রাব্বির ৮৭ ও জিয়াউর রহমানের ৫৭ রানে ভর করে ২০১ রান তোলে ধানমণ্ডি। আবাহনীর পক্ষে নাহিদ রানা ৪৫ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন।
জবাবে, পারভেজ হোসেন ইমন ১৩৩ বলে ১২৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে আবাহনীকে সহজ জয় এনে দেন। ইনিংসে ছিল ১৩টি চার ও ৫টি ছক্কা। তার সঙ্গে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৫৪ রান করেন। ধানমণ্ডির স্পিনার এনামুল হক ৪০ রানে ৪ উইকেট শিকার করলেও দলকে জেতানোর মতো পারফরম্যান্স দেখা যায়নি।
Leave a Reply