সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
২৬ মার্চ, বাংলাদেশের গৌরবময় স্বাধীনতা দিবস, যে দিনটি ১৯৭১ সালে নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীনতার সূচনা এনে দেয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দিনটি গভীর শ্রদ্ধা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে পালন করেন।
দিবস উদযাপনের কার্যক্রম
বুধবার (২৬ মার্চ) স্টকহোমের বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে একাধিক আয়োজনের মাধ্যমে ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়।
সকাল: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।বিকেল: আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়, এরপর সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স আমরিন জাহানের নেতৃত্বে আমন্ত্রিত অতিথিরা শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও আলোচনা
উৎসবের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বক্তারা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন,
বাংলাদেশের জনগণ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা আমাদের দায়িত্ব।
মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
স্বাধীনতা দিবস শুধু উদযাপনের দিন নয়, এই গৌরবময় ইতিহাস থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করার শপথ নেওয়ার দিনও।
Leave a Reply