২১ বছর বয়সী কোরিয়ান-আমেরিকান শিক্ষার্থী ইউনসিও চুং, যিনি ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনের সাথে যুক্ত থাকার কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের বহিষ্কারের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, তার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ একটি আইনি রায় এসেছে।
মঙ্গলবার, মার্কিন জেলা বিচারক নাওমি রেইস বুচওয়াল্ড চুংকে আটকের বিরুদ্ধে রায় দেন, কারণ সরকার পক্ষ তার গ্রেপ্তার চাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত যুক্তি উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই রায়ের ফলে চুং এখন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার (ICE) হঠাৎ গ্রেপ্তারের আশঙ্কা থেকে মুক্ত হলেন।
চুংয়ের আইনজীবী রামজি কাসেম আদালতের রায়ের পর বলেন,
আজ থেকে, ইউনসিও চুংকে আর রাতের আঁধারে আইসিইর হুমকির মধ্যে থাকতে হবে না।
বিচারক বুচওয়াল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তির সমালোচনা করে বলেন,
এখনও পরিষ্কার নয় কেন মিসেস চুংয়ের কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।
চুং মাত্র সাত বছর বয়স থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন এবং বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা। তার মামলা শুধু ব্যক্তিগত আইনি লড়াই নয়, বরং এটি ইসরায়েলের গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অংশ নেওয়া অ-নাগরিকদের নির্বাসন রোধের বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ।
এই রায়ের ফলে, চুং তার ফিলিস্তিনপন্থী সক্রিয়তার কারণে বহিষ্কারের হুমকি থেকে আপাতত মুক্তি পেলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাঙ্গনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
Leave a Reply