1. arshinagargroup75@gmail.com : ratul :
  2. abclimited2020@gmail.com : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD) : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD)
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন

সংসদে পাস ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, শৃঙ্খলাভঙ্গে কঠোর শাস্তির বিধান

নিউজডেস্ক
  • Update Time : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৭ Time View

সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে নতুন বিধান যুক্ত করে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৬’। এতে দ্রুত তদন্ত, কঠোর শাস্তি এবং জবাবদিহিতার কাঠামো আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৬’। রোববার (৫ এপ্রিল) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী Md. Abdul Bari সংসদে বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

নতুন আইনে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনে সংশোধন এনে ‘ধারা ৩৭(ক)’ যুক্ত করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বৈধ নির্দেশ অমান্য করেন বা যৌক্তিক কারণ ছাড়া সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে বাধা দেন, তবে তা শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে।

এছাড়া অনুমতি ছাড়া দলবদ্ধভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা কিংবা অন্যদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়াকেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে পদাবনতি, বেতন গ্রেড হ্রাস, বাধ্যতামূলক অবসর অথবা চাকরিচ্যুতির মতো কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে তদন্ত প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে হবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটিকে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে একবারের জন্য অতিরিক্ত ৭ দিন সময় বাড়ানো যাবে।

গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে তদন্ত কমিটির সদস্যদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে তা তাদের ব্যক্তিগত রেকর্ডে ‘অদক্ষতা’ হিসেবে উল্লেখ হবে এবং এর জন্য আলাদা শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।

আইন অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত কর্মচারী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। তবে রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদিও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পর্যালোচনার আবেদন করা যাবে।

নতুন এই আইন কার্যকর হলে ২০২৫ সালের সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো বাতিল হয়ে যাবে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকার মনে করছে, এই সংশোধনের মাধ্যমে প্রশাসনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখা আরও সহজ হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © arshinagar tv 2025
Design & Develop BY Coder Boss