রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় গাজাবাসী চরম সংকটে পড়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। খাদ্য, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর তীব্র অভাবে ফিলিস্তিনিরা এখন রাফাহ পুনরায় খোলার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
জাতিসংঘ জানায়, হামাসের সঙ্গে ঘোষিত অক্টোবরের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরাইলি বাহিনী গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে। সর্বশেষ গাজা শহরের যুদ্ধবিধ্বস্ত আল-সানাফুর এলাকায় অন্তত চারজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
ইসরাইল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমিত সংখ্যক মানুষকে ইসরাইলি তল্লাশির শর্তে রাফাহ দিয়ে মিসরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো আহ্বান সত্ত্বেও বড় পরিসরে ত্রাণ সহায়তা প্রবেশের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়নি তারা।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলের অভিযানে এখন পর্যন্ত গাজায় অন্তত ৭১ হাজার ৬৬০ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ৪১৯ জন আহত হয়েছে। অন্যদিকে, হামাসের নেতৃত্বে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলায় আনুমানিক ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হয় এবং প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করা হয়।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, রাফাহ ক্রসিং বন্ধ থাকায় চিকিৎসা সেবা কার্যত ভেঙে পড়েছে, বহু শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে এবং হাজার হাজার পরিবার নিরাপদ আশ্রয় ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে রয়েছে। জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, অবিলম্বে সীমান্ত খুলে মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ না দিলে গাজায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।