আটলান্টিক মহাসাগরে একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন বাহিনীর তৎপরতার কারণে রাশিয়া ট্যাংকারটিকে পাহারা দিতে নৌ-যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। জাহাজটি বর্তমানে কোনো তেল বহন না করলেও অতীতে এটি ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল পরিবহন করত। মঙ্গলবার রাতে জাহাজটি স্কটল্যান্ড ও আইসল্যান্ডের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থান করছিল।
গত মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের অভিযোগে ‘নৌ অবরোধ’ নির্দেশ দেন। এর আগে, ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন কোস্ট গার্ড জাহাজটিতে তল্লাশি চালাতে ব্যর্থ হয়। এরপর জাহাজটি নাম পরিবর্তন করে ‘মারিনেরা’ হয়ে রাশিয়ার পতাকায় পুনঃনিবন্ধিত হয়।
ইউরোপের দিকে যাত্রার সময় প্রায় ১০টি মার্কিন সামরিক বিমান ও কয়েকটি হেলিকপ্টার ওই অঞ্চলে উপস্থিত হয়, যা উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। রাশিয়া জানিয়েছে, তারা জাহাজটিকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি “উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ” করছে।
মার্কিন সূত্র জানায়, তারা জাহাজটি আটক করতে চায়, ডুবিয়ে না দিয়ে জব্দ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে খারাপ আবহাওয়া ও দূরত্বের কারণে অভিযান জটিল হয়ে পড়েছে। রাশিয়ার নৌ-যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করেছে।
গত মাসেও যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বন্দর ছাড়ার পর ‘দ্য স্কিপার’ নামের একটি তেল ট্যাংকার জব্দ করেছিল, যেখানে কোস্ট গার্ড ও বিশেষ বাহিনী অংশ নিয়েছিল।
সূত্র: বিবিসি, সিবিএস নিউজ
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.