রোববার (১০ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক এলিসন হুকার ও পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেন। বাংলাদেশ সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ গাজার আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।” তবে অংশগ্রহণের পরিধি বা প্রকৃত রূপের বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে, নভেম্বর মাসে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ একটি প্রস্তাব অনুমোদন করে, যার মাধ্যমে গাজায় সাময়িক আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়। ওই বাহিনীর কাজ হবে অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সহায়তা করা।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও প্রথম পর্যায়ের বাইরে তেমন অগ্রগতি হয়নি। গাজার দুই মিলিয়নেরও বেশি মানুষ এখনও ক্ষতিগ্রস্ত বা অসম্পূর্ণ ভবনে বসবাস করছেন। যুদ্ধবিরতির পর থেকে ৪০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি এবং তিনজন ইসরায়েলি সৈন্য নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল ও হামাস উভয়ই পরবর্তী ধাপের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে একমত নন এবং একে অপরকে লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন।
গাজার মানবিক পরিস্থিতি মারাত্মক। ২০২৩ সালের শেষ থেকে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে হাজার হাজার মানুষ নিহত, খাদ্য সংকট ও অভ্যন্তরীণভাবে স্থানচ্যুত হয়েছে। বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিশেষজ্ঞরা এটিকে গণহত্যার সমতুল্য উল্লেখ করেছেন। ইসরায়েল বলেছে, তাদের এই কর্মকাণ্ড আত্মরক্ষার অংশ।