নোয়াখালীর সদর উপজেলার নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেমবাজার এলাকায় ইসলামী ছাত্রশিবির ও যুবদলের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার কাশেমবাজার মসজিদে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কোরআন শিক্ষা ক্লাস চলাকালে যুবদল নেতাদের নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার দুপুরে শিবির সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে এবং বিকেলে একই মসজিদে ‘দারসুল কোরআন’ প্রতিযোগিতা আয়োজন করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আছরের নামাজের পর প্রতিযোগিতা শুরু হলে মসজিদের বাইরে যুবদলের নেতাকর্মীরা ‘জিয়ার সৈনিক’ স্লোগান দেন। মুহূর্তেই উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় শিবির সদস্যরা মসজিদের ভেতরে অবস্থান নেন, আর বাইরে বিক্ষোভে নামে যুবদল।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান আরমান বলেন,
“আমাদের শান্তিপূর্ণ কোরআন ক্লাসে যুবদল পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। আমাদের ভাইয়েরা মসজিদে আহত অবস্থায় পড়ে আছে।”
অন্যদিকে নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন বাবুল অভিযোগ করেন,
“নামাজ শেষে মসজিদ থেকেই আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আহতদের নিতে আসা অ্যাম্বুলেন্সেও হামলা চালানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।”
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম বলেন,
“সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”