1. arshinagargroup75@gmail.com : ratul :
  2. abclimited2020@gmail.com : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD) : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD)
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন

ট্রাম্পের যুদ্ধের শরিক না হয়েও সমালোচনায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী যুদ্ধে সরাসরি অংশ না নিলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে কার্যত এই আগ্রাসনের শরিক হয়ে উঠেছেন—এমনটাই মনে করছেন সমালোচকরা। এর মধ্য দিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

২০২৩ সালের শেষ দিকে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের সময় যুক্তরাজ্যের বড় দুই দলই ইসরাইলের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রিশি সুনাক নেতানিয়াহুকে ‘নিঃশর্ত সমর্থন’ জানান। তখন বিরোধীদলীয় নেতা স্টারমার আরও এগিয়ে গিয়ে গাজায় সম্মিলিত শাস্তির পরিকল্পনাকেও সমর্থন করেছিলেন। তিনি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির পক্ষে দাঁড়াননি—যে সময়ের মধ্যে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়।

ডানপন্থী রাজনীতিবিদ নাইজেল ফারাজ এবং উগ্র ডানপন্থী কর্মী টমি রবিনসন-ও প্রকাশ্যে ইসরাইলি অভিযানের পক্ষে ছিলেন। এই প্রেক্ষাপটেই, শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানে হামলা শুরু করলে ব্রিটেনের মূলধারার রাজনীতিতে আবারও বিভাজন দেখা দেয়।

এই পরিস্থিতিতে একমাত্র উচ্চকণ্ঠ বিরোধিতা করেন গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কি। গোর্টন ও ডেন্টন উপনির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পরপরই তিনি বলেন,

“আমাদের আরেকটি অবৈধ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে টেনে নেওয়া হচ্ছে। ব্রিটিশ জনগণ এটা চায় না।”

লেবার পার্টি তাকে ‘চরমপন্থী’ বলে আখ্যা দিলেও সমালোচকদের মতে, ইহুদি পরিচয়ের কারণে তাকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়া কঠিন।

একটি ইউগভ জরিপে দেখা যায়, অর্ধেক ব্রিটিশ নাগরিক এই যুদ্ধে যুক্তরাজ্যের জড়িত হওয়া চান না। মাত্র ২৮ শতাংশ এতে সমর্থন দিয়েছেন। একই সময়ে পোলানস্কির গ্রিন পার্টির জনপ্রিয়তা বাড়ছে এবং কিছু জরিপে তারা লেবারকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

স্টারমার একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলাকে নিন্দা করতে চান না, অন্যদিকে ইরানের পাল্টা আঘাতকে নিন্দা করছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার ‘প্রতিরক্ষামূলক’। অথচ বাস্তবে এটি আগ্রাসনে সহযোগিতার শামিল—বিশেষত ডিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি ব্যবহার করে বি-৫২ বোমারু বিমান মোতায়েনের সম্ভাবনা থাকায়।

তুলনায় স্পেন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। সমালোচকদের প্রশ্ন—স্টারমার কেন তা পারলেন না?

সমালোচকদের মতে, এই অবস্থানের ফলে ব্রিটেন গাজা ধ্বংসযজ্ঞের মতোই ইরানবিরোধী অভিযানেরও নৈতিক দায় বহন করছে। এমনকি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ব্রিটিশ সেনা বা ঘাঁটিতে হামলাকে ইরানের জন্য ‘বৈধ প্রতিরক্ষা’ হিসেবে দেখার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ভাষায়, এটি এখন ‘ধ্বংসযুদ্ধ’-এ পরিণত হচ্ছে, যেখানে স্কুল, হাসপাতাল ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে—যেমনটি গাজায় হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category
© All rights reserved © arshinagar tv 2025
Design & Develop BY Coder Boss