১০৪টি গুম ও খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আজ (সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেবেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রথম দিনের সাক্ষ্যে সাবেক সেনাপ্রধান সেনাবাহিনীর ভেতরে গুম ও হত্যাকাণ্ডের মানসিকতা কীভাবে গড়ে উঠেছে— তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।
জবানবন্দিতে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীতে হত্যাকাণ্ড নতুন কিছু নয়; স্বাধীনতার পর থেকেই এর নজির রয়েছে। তবে বেনজীর আহমেদ র্যাবের ডিজি এবং জিয়াউল আহসান এডিজি হওয়ার পর বিচারবহির্ভূত কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ভারত ও আওয়ামী লীগবিরোধী মনোভাব তীব্র হয়ে ওঠে। সেই সময় বিভিন্ন প্রকল্পে সেনা সদস্যদের নিয়োগ দিয়ে তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এছাড়া, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মাধ্যমে শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক একটি ‘ডিপ স্টেট’ গড়ে নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিতেন বলেও ট্রাইব্যুনালকে জানান সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া।
আজ দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যে তিনি এসব বিষয়ে আরও বিস্তারিত তুলে ধরতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.