মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুরোপুরি মেনে না চলে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। তিনি জানান, ইরান ঘিরে মার্কিন জাহাজ, বিমান ও সেনা মোতায়েন আগের মতোই থাকবে যতক্ষণ না “বাস্তব চুক্তি” সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হয়।
এদিকে, লেবানন এক দিনের ভয়াবহ হামলার পর জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে। বুধবারের ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১,১৬৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম বলেছেন, ইসরায়েলি হামলা বন্ধে দেশের সব রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক শক্তি কাজে লাগানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েল-এর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, লেবানন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় নেই। একই অবস্থান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স—“এমন কোনো প্রতিশ্রুতি আমরা দেইনি।”
এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, লেবানন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে পরিষ্কার সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা যুদ্ধবিরতি চায়, নাকি ইসরায়েলের মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়।
লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরেদ্দিন আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিপুল সংখ্যক হতাহত সামলাতে দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা চরম চাপে পড়েছে।
এদিকে, আল জাজিরা গাজায় তাদের সাংবাদিক মোহাম্মদ উইশাহ-কে লক্ষ্য করে হত্যা করার অভিযোগ তুলে ঘটনাটিকে “জঘন্য অপরাধ” হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও অঞ্চলজুড়ে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.