দেশে সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে যেকোনো দেশের সহায়তা বাংলাদেশ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
চীনের সহায়তায় সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনের চুক্তি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন,
“বাংলাদেশ তার প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো দেশের সহায়তা নিতে পারে। এতে অন্য কারও কিছু বলার সুযোগ নেই।”
উল্লেখ্য, দেশে আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি) বা ড্রোন উৎপাদন, সংযোজন কারখানা স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) চুক্তি সই হয়। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন (সিইটিসি) ইন্টারন্যাশনাল-এর মধ্যে। ঢাকার সেনানিবাসে বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরে এ উপলক্ষে আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এদিকে ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
“পরিবারকে চলে যেতে বলা হতেই পারে। এতে শঙ্কার কিছু নেই। কোনো সংকেত আছে কি না, তা আমি জানি না। তবে নিরাপত্তার তেমন কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।”
তিনি আরও জানান, দেশে বড় কোনো গোলযোগ তো দূরের কথা, ছোটখাটো মারামারি বা ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটেনি। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ভারত সরকারও এখন পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো উদ্বেগ জানায়নি।
তৌহিদ হোসেন বলেন,
“ভারত যখনই নিরাপত্তা চেয়েছে, তখন আমরা তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
বর্তমানে দেশে কোনো ধরনের অস্থিরতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না, তারাই মূলত গন্ডগোলের কথা বলছে।”
তিনি আরও জানান, ভারত থেকে কোনো সাংবাদিক যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসতে চান, তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ভিসার ব্যবস্থা করবে।