মার্কিন সমর দফতরের (পেন্টাগন) এক খসড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন গোপনে শতাধিক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) মোতায়েন করেছে। এছাড়া প্রতিবেদনে উল্লেখ, চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দ্রুত সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন করছে এবং আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না।
পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে চীনের পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা ৬০০-এর বেশি ছিল। ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ১,০০০ ছাড়াতে পারে। প্রতিবেদন আরও সতর্ক করেছে, চীন তাইওয়ান ইস্যুতে যুদ্ধ জেতার সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে।
বেইজিংয়ের প্রতিক্রিয়া:
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনের দাবি, দেশটি আত্মরক্ষামূলক পারমাণবিক নীতি অনুসরণ করে এবং “নো-ফার্স্ট-ইউজ” নীতিতে অটল। মন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবিগুলো পারমাণবিক আধুনিকীকরণ জোরদারের অজুহাত মাত্র। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন।
বিশ্ব পারমাণবিক ভারসাম্য:
রাশিয়ার কাছে বিশ্বে সর্বোচ্চ ওয়ারহেড: ৫,৪৫৯
যুক্তরাষ্ট্র: ৫,১৭৭
চীন: ২০২৪ সালে ৬০০+, ২০৩০ সালে সম্ভাব্য ১,০০০+
মোট পারমাণবিক অস্ত্রের প্রায় ৯০% রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।