চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে লাইটারেজ জাহাজকে ‘ভাসমান গুদাম’ হিসেবে ব্যবহার করে রমজানের নিত্যপণ্য মজুদ করার অভিযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়াতে পণ্য বাজারে সরবরাহ না করে নদীতে জাহাজে আটকে রাখছেন। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, মাদার ভেসেল (বড় জাহাজ) থেকে পণ্য খালাস করে লাইটারেজ জাহাজে (ছোট জাহাজ) স্থানান্তর করা হয় এবং এরপর বিভিন্ন নদীবন্দর থেকে বাজারে পৌঁছে দেওয়া হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক অভিযোগে দেখা গেছে, আমদানিকারকরা লাইটারেজ জাহাজকেই সরাসরি ‘ভাসমান গুদাম’ হিসেবে ব্যবহার করছেন।
কৃত্রিম সংকট: জাহাজ আটকে রাখার কারণে বাজারে খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে।
পণ্য খালাসে বিলম্ব: সাধারণত ৭-৮ দিনে পণ্য খালাস হওয়ার কথা থাকলেও, জাহাজ আটকে রাখায় তা ১০-২০ দিন, এমনকি এক মাস পর্যন্ত বিলম্বিত হচ্ছে।
ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই অভিযান মূলত রমজানের সময় বাজারে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য এবং নদীতে জাহাজ আটকে রাখার অচলাবস্থা দূর করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের এই উদ্যোগ খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং আমদানি ও বাজার সরবরাহ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।