1. arshinagargroup75@gmail.com : ratul :
  2. abclimited2020@gmail.com : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD) : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD)
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন

গাজা পরিস্থিতিতে সংযমের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রসহ চার দেশের কিন্তু থামছেই না ইসরায়েলি হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৮২ Time View

গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির শর্ত মানতে এবং সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, কাতার ও তুরস্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানান, যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে চার দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা বৈঠক করেছেন।

শনিবার প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ে মানবিক সহায়তা সম্প্রসারণ, বন্দিদের মরদেহ ফেরত, আংশিক সেনা প্রত্যাহার এবং সহিংসতা কমানোর মতো ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

গাজার ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানায়, শুক্রবার বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় নেওয়া একটি স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।

স্টিভ উইটকফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি আমাদের পূর্ণ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি। সব পক্ষকে তাদের দায়িত্ব পালনে, সংযম দেখাতে এবং নজরদারি ব্যবস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন ও তা কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ইসরায়েলকে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে, হামাসের পরিবর্তে একটি অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ প্রশাসন চালাবে এবং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েন হবে।

এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আন্তর্জাতিক বাহিনীতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সেনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের তাগিদ দেন। তিনি সতর্ক করেন, তা না হলে শান্তি প্রক্রিয়া ভেঙে পড়তে পারে।

ইস্তাম্বুলে হামাসের প্রধান আলোচক খালিল আল-হাইয়া ও তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিনের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে হামাস এক বিবৃতিতে জানায়, তারা যুদ্ধবিরতি মানতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে ইসরায়েলি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকায় উদ্বেগ রয়েছে।

বিবৃতিতে শীতের কারণে গাজায় মানবিক পরিস্থিতির অবনতির কথাও তুলে ধরা হয়। জরুরি ভিত্তিতে তাঁবু, ক্যারাভান ও ভারী যন্ত্রপাতি প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়—এগুলো না এলে বহু মানুষ ঠান্ডা ও বন্যায় ঝুঁকিতে পড়বে।

শনিবার উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। একই দিনে গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৯৪ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এখনও হাজারো মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া অভিযানে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থা জানিয়েছে; আহত হয়েছেন আরও লক্ষাধিক মানুষ।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © arshinagar tv 2025
Design & Develop BY Coder Boss