আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিপেটায় ২৯ আগস্ট আহত হন গণঅধিকার পরিষদের প্রধান নেতা নুরুল হক নুর। এরপর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন উঠেছিল—একই প্ল্যাটফর্মে আসতে পারে তরুণ নেতৃত্বের দুই রাজনৈতিক দল গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
দুই দলই ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে একই কাতারে কাজ করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াটি কার্যত থমকে গেছে বলেই জানিয়েছেন উভয় দলের নেতারা।
মূলত দলের নাম, নেতৃত্ব বণ্টন ও সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে মতবিরোধের কারণেই আলোচনাগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে। ফলে একীভূত হওয়ার বদলে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতার সম্ভাবনাও এখন অনিশ্চিত।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন,
“এনসিপির কয়েকজন নেতার নেতিবাচক মন্তব্যের কারণেই একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া থেমে গেছে। তারা গণঅধিকার পরিষদকে নিয়ে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছে, যা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এই মুহূর্তে তাদের সঙ্গে নির্বাচনী জোট করার কোনো সম্ভাবনাও নেই।”
অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন,
“একীভূতকরণের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি। বিষয়টি প্রাথমিক আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। তবে মধ্যপন্থী দলগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়া বা নির্বাচনী সমঝোতার সুযোগ এখনো খোলা আছে।”
সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, প্রাথমিক উত্তেজনা থাকলেও গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপির এক ছাতার নিচে আসার সম্ভাবনা আপাতত খুবই ক্ষীণ।