ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় শহীদ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর রাষ্ট্রীয় স্মরণ অনুষ্ঠান আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তিনদিনব্যাপী এই আয়োজন আজ রাতেই শুরু হওয়ার কথা ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রস্তুতির ছবি ছড়িয়ে পড়লেও আয়োজকরা অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন। পরদিন রোববার (১ মার্চ) ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। জানানো হয়, তেহরানে নিজ কার্যালয়ে তিনি নিহত হন; মৃত্যুকালে বয়স ছিল ৮৬ বছর।
ইরানের বার্তা সংস্থা ফারস জানায়, খামেনিকে দেশের পবিত্র শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। এই শহরেই তার জন্ম। মাশহাদের ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে তার বাবার সমাধি রয়েছে। দাফনের নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা হয়নি, শিগগিরই জানানো হবে।
দাফনের আগে রাজধানী তেহরানে বড় পরিসরে শেষবিদায়ের আয়োজন করার ঘোষণা দিয়েছিল ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। অনুষ্ঠানটি আজ রাত ১০টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে আয়োজকদের বরাতে বুধবার (৪ মার্চ) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়—প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত না থাকায় আয়োজনটি আপাতত স্থগিত।
মেহের নিউজ এজেন্সি জানায়, বিভিন্ন প্রদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের তেহরানে এসে অংশ নেওয়ার অনুরোধের কারণে সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (আইডিও)-এর সমন্বয় পরিষদ জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনির জানাজার আয়োজনের প্রস্তুতিও চলমান রয়েছে।








Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.