মুজতবা হোসেইনি খামেনিকে ইরান–এর নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচনের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ–এর উপস্থাপক ব্রায়ান কিলমিড জানান, ট্রাম্প তাকে বলেছেন— “আমি এমন সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট।”
তবে এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এর আগে যুদ্ধ শুরুর দিকে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের জন্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি হবে যদি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর উত্তরসূরি “আগের ব্যক্তির মতোই খারাপ” হন।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েল–এর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু–র সঙ্গে আলোচনা করেই ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রোববার (৮ মার্চ) তিনি বলেন,
“এই যুদ্ধ শেষের ক্ষেত্রে নেতানিয়াহুর মতামত নেওয়া হবে। আমি মনে করি এটি পারস্পরিক বিষয়। সঠিক সময়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”
৫৬ বছর বয়সী মুজতবা খামেনি কখনো কোনো সরকারি পদে ছিলেন না এবং জনসমক্ষে খুব কম বক্তব্য দিয়েছেন। ইরানের ভেতরেও তাকে অনেকেই শান্ত ও রহস্যময় চরিত্র হিসেবে দেখেন।
চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয় এর সেন্টার ফর ইসলামিক স্টাডিজ অ্যান্ড সিভিলাইজেশনের প্রধান অধ্যাপক মেহমেত ওজালপ বলেন,
“তিনি দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে কাজ করা এক গোপনীয় ব্যক্তি ছিলেন।”
তার মতে, বাবার ঘনিষ্ঠ মহলে প্রবেশাধিকার থাকায় মুজতবা অনেকটা ‘গেটকিপার’ হিসেবে কাজ করতেন, যা তাকে বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)–এর কাছে প্রভাবশালী করে তোলে।
দীর্ঘদিন ধরেই তাকে ইরানের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। বিশেষ করে ২০২৪ সালে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি নিহত হওয়ার পর তার নাম আরও বেশি আলোচনায় আসে।
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.