মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের মামলার রায় ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ইতোমধ্যেই আদালতের বিচারকরা ট্রাইব্যুনালে প্রবেশ করেছেন, আর আশপাশের পুরো এলাকায় নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের অনুরোধে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়।
এই মামলার তিন আসামির মধ্যে সাবেক আইজিপি মামুন ইতোমধ্যে ‘রাজসাক্ষী’ হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন, আর অপর দুই আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান বর্তমানে পলাতক। গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের বেঞ্চ আজকের দিনটি রায় ঘোষণার জন্য নির্ধারণ করেন। প্রসিকিউশন এর আগে পাঁচটি গুরুতর অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিল— যার মধ্যে রয়েছে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান, আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা, রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ। গত ১০ জুলাই এই অভিযোগগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হয়।
রায় ঘিরে পুরো দেশজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে, আর আদালত প্রাঙ্গণে রয়েছে চরম সতর্কতা। জাতীয়ভাবে আলোচিত এই মামলার রায় যে কোনো মুহূর্তে ঘোষণা করা হবে।







