ইরানে হামলার পর নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল। সব ধরনের বেসামরিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইসরাইল।
দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ জনগণকে বিমানবন্দরে না আসার অনুরোধ করা হচ্ছে। বিদেশে অবস্থানরত যাত্রীদের আকাশসীমা পুনরায় চালু হলে ফ্লাইটের সময়সূচি সম্পর্কে গণমাধ্যম ও নিজ নিজ বিমান সংস্থার মাধ্যমে আপডেট থাকতে বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিদেশে থাকা ইসরাইলিদের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নির্দেশনা ও সুপারিশ অনুসরণ করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূল হলে আকাশসীমা পুনরায় চালু করা হবে এবং ইসরাইলে আসা-যাওয়ার ফ্লাইটও চালু করা হবে। নবায়নকৃত ফ্লাইটের বিষয়ে অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
ইসরাইল ইতোমধ্যে ইরান ভূখণ্ডে হামলা শুরু করেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এই হামলা চালানো হয়।
এর আগে ইরান ইস্যুতে আলোচনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস-এ তিনি বলেন, জেনেভায় তৃতীয় দফা আলোচনা শেষে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তাদের আচরণে তিনি ‘সন্তুষ্ট নন’।
জেনেভায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় কিছু অগ্রগতির কথা বলা হলেও চূড়ান্ত কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশ। তেহরান প্রয়োজনীয় ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী ইরান এখনও পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগে রাজি হয়নি। সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে না চাইলেও কখনো কখনো তা করতে হয়।
ট্রাম্প বলেন,
“আমরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। তারা যেভাবে আলোচনা করছে, তাতে আমরা সন্তুষ্ট নই। আমাদের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রয়েছে। আমি চাই না সেটি ব্যবহার করতে, কিন্তু কিছু পরিস্থিতিতে তা ব্যবহার করতেই হয়।”