যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সূত্রের দাবি, এ হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিসহ শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও নিহত হয়েছেন।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) প্রতিশোধের ঘোষণা দিয়ে জানায়, তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা অবস্থানকারী ২৭টি ঘাঁটি এবং তেল আবিবে ইসরাইলি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
ইরান সরকার জানিয়েছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত একটি অন্তর্বর্তী পরিষদ দেশ পরিচালনা করবে, যেখানে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান থাকবেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ২৪টি প্রদেশে চালানো হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২০১ জন নিহত হয়েছেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে বোমাবর্ষণ “এই সপ্তাহজুড়ে বা প্রয়োজন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে” লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত।
ইরানের পাল্টা হামলা ইসরাইল ছাড়াও কাতার, ইউএই, কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান, সৌদি আরব ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সম্পদের দিকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পরিস্থিতির জেরে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত হলে এটি ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো ও গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তথ্য দ্রুত বদলাচ্ছে; তাই হতাহত ও হামলার ব্যাপ্তি নিয়ে স্বাধীন যাচাই এখনও চলমান।








Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.