1. arshinagargroup75@gmail.com : ratul :
  2. abclimited2020@gmail.com : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD) : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD)
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন

ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা কতটা বাস্তব? বাড়ছে যুদ্ধের জল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৫ Time View

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। কয়েক দিন ধরেই এ বিষয়ে জল্পনা-কল্পনা বাড়ছে। এরই মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তি করার সময় ফুরিয়ে আসছে বলে উল্লেখ করে ইরানকে নতুন করে আল্টিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়—তা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন একাধিক বিকল্প ভাবছে। এসব বিকল্পের মধ্যে রয়েছে ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো, যাতে সরকারবিরোধী আন্দোলন আরও জোরালো হয়।

তবে ইসরাইলি ও আরব কর্মকর্তাদের মতে, কেবল বিমান হামলা চালিয়ে ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা উৎখাত করা সম্ভব নয়।

আলোচনার সঙ্গে পরিচিত দুটি মার্কিন সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে ইরানে দেশব্যাপী সরকারবিরোধী বিক্ষোভে কঠোর দমন-পীড়নের ঘটনায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার পর ট্রাম্প ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসন পরিবর্তনের পথ নিয়ে নতুন করে ভাবছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন এমন কমান্ডার ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার কথা বিবেচনা করছে, যাদের বিরুদ্ধে সহিংস দমনের অভিযোগ রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, এসব হামলার মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা আত্মবিশ্বাস পাবে এবং সরকারি স্থাপনা দখলের চেষ্টা জোরদার হতে পারে।

এক মার্কিন সূত্র জানায়, ট্রাম্পের সহযোগীরা এমন বিকল্পও আলোচনা করেছেন, যেগুলোর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—

  • ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলা, যেগুলো মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সক্ষম।

  • ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান।

অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানে সামরিক পথে এগোনো হবে কি না—সে বিষয়ে ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।

ইরানে দমন-পীড়নের ঘটনায় আগেও একাধিকবার হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। চলতি সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোয় সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের সক্ষমতা আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, একটি বিশাল নৌবহর ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং তা খুব দ্রুত মিশন সম্পন্ন করতে সক্ষম। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার সময় শেষ হয়ে আসছে। ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় না আসে, তবে ভবিষ্যৎ হামলা আগের চেয়েও ভয়াবহ হবে।

তবে ট্রাম্পের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, মার্কিন হুমকিতে তারা মাথা নত করবে না এবং তাদের বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। একই সঙ্গে তিনি জানান, হুমকি ও জবরদস্তি ছাড়া ন্যায্য আলোচনায় তেহরানের আপত্তি নেই।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশনও ন্যায্যতার ভিত্তিতে আলোচনার বিষয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছে। তবে তারা সতর্ক করে বলেছে, আলোচনার প্রস্তাব মানেই দুর্বলতা নয়। যদি জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করা হয়, তবে ইরান এমনভাবে আত্মরক্ষা ও পাল্টা জবাব দেবে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © arshinagar tv 2025
Design & Develop BY Coder Boss