ইরানে চলমান বিক্ষোভ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে তেহরান। জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি এক চিঠিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে জানান, ট্রাম্পের বক্তব্য ইরানের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বিনষ্টে উৎসাহ জোগাচ্ছে।
এই অভিযোগ এমন এক সময়ে এলো, যখন ট্রাম্প মার্কিন গণমাধ্যমে বলেন, ইরান নিয়ে তার লক্ষ্য হলো “শেষ পর্যন্ত জয়ী হওয়া”। এর আগে তিনি ইরানের জনগণকে উদ্দেশ করে বলেন, “বিক্ষোভ চালিয়ে যান” এবং “রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দখলে নিন… সাহায্য আসছে।”
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দেশজুড়ে বিক্ষোভে উচ্চ মৃত্যুর সংখ্যার রিপোর্ট স্বীকার করেছে। একই সঙ্গে শহীদ ফাউন্ডেশনের প্রধান আহমাদ মুসাভি-র উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, এসব মৃত্যুর জন্য “সশস্ত্র ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী” দায়ী।
ইন্টারনেট সেবাদাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান ক্লাউডফ্লেয়ার জানিয়েছে, ইরানে টানা পাঁচ দিনের বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
অন্যদিকে, বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী অভিযানের প্রতিবাদ জানিয়ে একাধিক ইউরোপীয় দেশ তাদের দেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে। একই সময়ে ইরানের মিত্র রাশিয়া তেহরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে “বিধ্বংসী বহিরাগত হস্তক্ষেপ”-এর নিন্দা জানিয়েছে।