ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুমকি বাড়তে থাকায় দেশটির সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত এক চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়া ও সহিংসতায় প্ররোচনার অভিযোগ তুলেছেন।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো ওই চিঠিতে ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য বক্তব্য ও হুমকি দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে এবং সহিংসতা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে বড় ধরনের প্রাণহানির খবর স্বীকার করেছে। মার্টায়ার্স ফাউন্ডেশনের প্রধানের বরাতে জানানো হয়েছে, এসব সহিংসতার জন্য “সশস্ত্র ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী” দায়ী।
বিক্ষোভের মধ্যেই টানা পাঁচ দিনের বেশি সময় ধরে ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ফোন পরিষেবা কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে পুনরায় চালু হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, গত দুই সপ্তাহের অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত এক শতাধিক নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধী কর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি এবং এতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে এই দুই পক্ষের দাবিই আল জাজিরা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।