মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার হুমকি দিয়েছেন। একই সময়ে ইসরাইল, ইরান ও আশপাশের অঞ্চলে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় বিভিন্ন স্থানে আগুন, হতাহত এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে না দেয়, তবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপসহ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে।
এদিকে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফায় অবস্থিত বাজান তেল শোধনাগারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলায় একটি সামরিক চৌকিতে এক সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের হামলায় একটি বিদ্যুৎ ও লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্টে কর্মরত এক ভারতীয় শ্রমিক নিহত হয়েছেন। উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশ দাবি করেছে, তারা একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের তাবরিজ শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে হামলা চালায়। এর ফলে তেহরানের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
পাল্টা জবাবে ইরানি বাহিনী দক্ষিণ ইসরাইলের একটি শিল্প এলাকায় হামলা চালায়, যেখানে আগুন লাগে এবং রাসায়নিক লিকের আশঙ্কা তৈরি হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সার্বিক পরিস্থিতি ক্রমেই অস্থির হয়ে উঠছে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.