আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কাতারসহ বিভিন্ন দেশে জব্দ থাকা ইরান-এর অর্থ ছাড়তে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
তবে এই দাবির বিপরীতে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন নিউজ।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইরানি কর্মকর্তা বলেন, জব্দ অর্থ ছাড়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। তার মতে, হরমুজ প্রণালী-তে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার আলোচনার সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত সরাসরি সম্পর্কিত।
আরেকটি সূত্রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে রাজি হয়েছে, যা কাতার-এ সংরক্ষিত ছিল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি ওয়াশিংটন বা দোহা।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পর দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে ইরানের এই অর্থ আটকে যায়। পরে ২০২৩ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে অর্থ ছাড়ের পরিকল্পনা থাকলেও, ৭ অক্টোবর ইসরায়েল-এ হামলার পর তা আবার স্থগিত হয়ে যায়।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিপরীতমুখী এই তথ্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি স্পষ্ট হতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করতে হবে।
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.