ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনা কমাতে একটি বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলাদাভাবে ফোনে কথা বলবেন। পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপটি আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় (১৪:০০ GMT) নির্ধারিত রয়েছে, এর পরই তিনি জেলেনস্কি ও ন্যাটো নেতাদের সঙ্গে আলাপ করবেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাগুলি এমন সময় হতে চলেছে, যখন ইউক্রেন অভিযোগ করছে—রাশিয়া তাদের বিরুদ্ধে গত দুই বছরে সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, রাশিয়া অন্তত ২৭৩টি বিস্ফোরক ড্রোন ও ছলনামূলক ডিভাইস একযোগে ছুড়েছে বিভিন্ন অঞ্চলে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।
এই পরিস্থিতিতে রোমে ইউরোপীয় ও মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। সেখানে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইউক্রেন “বাস্তব কূটনীতির” মাধ্যমে একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
এদিকে, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি এবং যুক্তরাজ্যের নেতারা আলাদাভাবে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আলোচনায় নেতারা অবিলম্বে নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন এবং পুতিনকে “গঠনমূলক ও আন্তরিকভাবে” শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
যদিও যুদ্ধবিরতির পথ এখনও নানা জটিলতা ও অবিশ্বাসে পরিপূর্ণ, তবুও আজকের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ পশ্চিমা বিশ্ব এবং ট্রাম্পের পক্ষ থেকে যুদ্ধ সমাপ্তির জন্য একটি নতুন চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউরোপের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম ধ্বংসাত্মক এই সংঘাত থামাতে আজকের আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব।