1. arshinagargroup75@gmail.com : ratul :
  2. abclimited2020@gmail.com : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD) : Eng. Firoz-Uz Zaman (MD)
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

আদানির বিদ্যুতে বাংলাদেশের অতিরিক্ত গুনতে হবে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার

নিউজডেস্ক
  • Update Time : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০০ Time View

আদানির বিদ্যুৎ চুক্তির কারণে আগামী ২৫ বছরে বাংলাদেশের অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার। বছরে গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বাড়তি পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে চুক্তি পর্যালোচনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। কমিটি জানায়, চুক্তিতে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির আলামত পাওয়া গেছে। এসব তথ্য আদানি গ্রুপকে জানানো এবং প্রয়োজনে সিঙ্গাপুরের সালিশি আদালতে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের মোট বিদ্যুতের প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে শুরু থেকেই কয়লার মান, দাম ও চুক্তির শর্ত নিয়ে বিতর্ক চলছে।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা বিশেষ আইনের আওতায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চুক্তিগুলো পর্যালোচনার জন্য জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশেষ বিধানের অপব্যবহার, যোগসাজশ, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। আদানি চুক্তিতে বিদ্যুতের প্রকৃত মূল্যের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের অন্যান্য উৎস থেকে কেনা বিদ্যুতের তুলনায় আদানির বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে ৪ থেকে ৫ সেন্ট বেশি। ২০২৫ সালের মধ্যে এই দাম দাঁড়াবে ১৪ দশমিক ৮৭ সেন্টে। এর ফলে চুক্তির মেয়াদে প্রতি বছর বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে।

কমিটির প্রধান বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আদানি চুক্তি বাতিল বা আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নয়, বরং পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের নেওয়া উচিত। তবে বিলম্ব হলে আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এদিকে আদানি পাওয়ার এক বিবৃতিতে জানায়, এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করা হয়নি এবং বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষ তাদের মতামত নেয়নি। একই সঙ্গে দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছে আদানি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এই জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি তারা তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © arshinagar tv 2025
Design & Develop BY Coder Boss